ইংলিশ শেখার বাস্তব ঘরোয়া
কিছু টিপস! Tips for learning English!
আজকাল ইংরেজি শেখা যেন একটা ট্রেন্ড হয়ে
গেছে, চলার পথে ইংরেজি জানা দরকার নেই এমনটা খুব কমই দেখা যায়। চাকরি, অফিস, ঘরে-বাইরে
সবখানে ইংরেজি শেখাটা খুবই প্রয়োজন। কেন ইংরেজি শিখবেন? এই প্রশ্নের উত্তরে বলবো; আজকাল
অফিস-আদালত থেকে শুরু করে সব জায়গায় ইংরেজি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
অনেককে দেখেছি ইংরেজিতে কথা বলতে না পারার কারণে চাকরি হচ্ছে না, অফিসে প্রমোশন আটকে
থাকে নানান সমস্যা। তাই আজকে খুব ঘরোয়া এবং সহজ কিছু টিপস শেয়ার করবো যাতে খুব
সহজেই ইংরেজিকে আয়ত্ত করতে পারেন। তাহলে এক নজরে দেখে নেই আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে
কিছু টিপস? ইংরেজি শেখার চারটা স্টেজ;
১। লিসেনিং: ইংরেজি স্পিকিং শিখতে গেলে
প্রথমেই লিসেনিং গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি খেয়াল করে দেখেন আমরা কিন্তু বাংলাও শিখেছি
শুনে শুনে আমাদের মা-বাবা, আত্মীয়, প্রতিবেশী তাদের থেকে শুনে শুনে শিখেছি। লিসেনিং
কিভাবে করবেন? আপনি আপনার অবসর সময়গুলোকে কাজে লাগিয়ে, আপনি যখন গান শোনেন বাংলার
পরিবর্তে ইংরেজি গান শুনতে পারেন, মুভি, নাটক, সিরিয়াল সাবটাইটেল-সহ দেখতে পারেন
বেশি বেশি, বিগিনার লেভেলে বাচ্চাদের কার্টুন সব থেকে বেশি উপকারি। ইউটিউবে অনেক ইংলিশ
কার্টুন, মুভি, টেডটক, নিউজ ইত্যাদি পেয়ে যাবেন। আপনি যাতায়াতে মোবাইলে রাখতে
পারেন ইংলিশ অডিও বুক, ফোনের প্লে-লিস্টে রাখতে পারেন ইংলিশ গান, পডকাস্ট অথবা আপনার
পছন্দের ইংলিশ স্পিকারের অডিও; পডকাস্ট থেকে আপনি চাইলে অডিও ডাউনলোড করে ফোনে রেখে
দিতে পারেন সেক্ষেত্রে বাইরে আপনাকে টাকা অথবা ইন্টারনেট খরচের ঝামেলা পোহাতে হবে
না।
২। স্পিকিং: দ্বিতীয় ধাপে স্পিনিং; আপনি
যখন লিসেনিং করবেন সেটা শুনে শুনে মুখে বলার চেষ্টা করুন এতে করে আপনার মুখের জড়তা
কেটে যাবে শতগুনে। ফেসবুকে সার্চ করলে অনেক ইংলিশ গ্রুপ পেয়ে যাবেন সেখান থেকে পার্টনার
খুঁজে নিতে পারেন সেখানে আপনি নেইটিভ স্পিকার পেয়ে যাবেন যাদের সাথে আপনি চ্যাটিং
ইংলিশে করতে পারবেন, ইংলিশে ভয়েস রেকর্ডিং-এর মাধ্যমেও কথা বলতে পারবেন, মেসেঞ্জার,
ফেসবুক অথবা অন্য যেভাবে আপনি চ্যাটিং করেন সেগুলো ইংলিশে করার চেষ্টা করুন। আপনার
বাসায় আয়না আছে অবশ্যই সেটাকে আপনার পার্টনার করে ফেলুন প্রতিদিন যেকোন টপিকের ওপর
২-৩ আয়নার সামনে দাড়িয়ে বলার চেষ্টা করুন। যেকোন একটা টপিক নিয়ে নিজের ভয়েস রেকর্ড
করে সেটা শুনতে পারেন। প্রতি নিয়ত চর্চা করতে হবে।
৩। রিডিং: আপনি যদি আপনার রিডিং-টা ডেভেলপ
করতে চান তাহলে প্রতিদিন ইংলিশ নিউজ পেপার পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ইংলিশ বই পড়তে
পারেন, ইংলিশ আর্টিকেল পড়তে পারেন, নিজের সোশ্যাল সাইটে ইংলিশে কিছু না কিছু লিখে
পোস্ট করতে পারেন, অন্যের ইংলিশ আর্টিকেল পড়তে পারেন, যে শব্দের অর্থ বুঝবেন না
সেটা সাথে সাথে ডিকশনারিতে সার্চ করে সেটা নোটবুকে লিখে রাখতে পারেন। কিছু না বুঝলেও
প্রতিদিন ইংলিশ বই, আর্টিকেল, নিউজপেপার পড়ার অভ্যাস করুন। খুব সহজ করে লেখা
বাচ্চাদের ইংলিশ রাইম, গল্পের বই পাওয়া যায় সেগুলোও পড়তে পারেন।
৪। রাইটিং: সর্বশেষ ধাপ রাইটিং; আপনি
প্রতিদিন কিছু না কিছু ইংলিশে লেখার অভ্যাস তৈরি করুন। যেকোন টপিক হতে পারে আপনার
বাবা, মা, ভাই, বোন, নিজের সম্পর্কে, নিজের ডেইলি রুটিন সম্পর্কে লিখতে পারেন। ছোট
ছোট বাক্য তৈরি করতে পারেন প্রথমে সহজ সহজ বাক্য তৈরির মাধ্যমে আপনি লেখায় অভ্যস্ত
হতে পারেন। সোশ্যাল সাইটগুলোতে লিখতে পারেন, বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপের সাথে যুক্ত হয়ে
সেখানে প্রতিদিন ইংলিশ আর্টিকেল লিখতে পারেন।
প্রতিনিয়ত এইভাবে চর্চার মাধ্যমে আপনি
ইংলিশ স্পিকার হয়ে উঠতে পারেন।আমিও এভাবেই শিখেছি আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা।

0 Comments
Please do not share any link below the post