Ticker

6/recent/ticker-posts

ডিপ্রেশন। Depression

 ডিপ্রেশন ছাড়া কোন মানুষ নেই। No one without depression




“ডিপ্রেশন” শব্দটা খুব পরিচিত এবং খুব কাছের; ডিপ্রেশন বলতে আসলে কি বুঝি আমরা? ডিপ্রেশন এর উৎস কি? কিভাবে ডিপ্রেশন তৈরি হয় মানবদেহে? আমরা ডিপ্রেশনে ভুগি কখনো কি ভেবে দেখেছি আসলে ডিপ্রেশন কি?

ডিপ্রেশন প্রতিটা মানুষের মধ্যে আছে; ডিপ্রেশন ছাড়া কোন মানুষ নেই, কোন না কোন কারণে মানবদেহে ডিপ্রেশন তৈরি হয়। তবে ডিপ্রেশন এর শুরুটা হচ্ছে মন খারাপ থেকে আমরা অনেকেই অনেক সময় অনেক বিষয় নিয়ে মন খারাপ করে থাকি আর এই মন খারাপ হচ্ছে ডিপ্রেশন অথবা বিষণ্ণতার প্রথম ধাপ আর মন খারাপের মাত্রা যখন প্রবলভাবে বেড়ে যায় অথবা দীর্ঘদিন মানবদেহে স্থায়ী থাকে তখন সেটি মারাত্মক রুপ ধারণ করে। থেকে থেকে মেজাজ খারাপ হয়ে যাওয়া, কারো সাথে কথা বলার ইছা কমে যাওয়া, সব সময় নিজেকে একা মনে করা, সব কিছুর মধ্যে থেকেও কি যেন নেই এমন মনোভাব তৈরি হওয়া, সারাক্ষণ কোন না কোন বিষয় নিয়ে চিন্তা করা এইসব হচ্ছে বিষণ্ণতার লক্ষণ।

 

‘ডিপ্রেশন’ কিভাবে তৈরি হয়? ডিপ্রেশন আমাদের প্রতিটা মানুষের মধ্যেই সৃষ্টি হয়; সেটা হতে পারে #স্কুল জীবনে বাবা-মা’র থেকে পড়াশোনা নিয়ে অধিক পরিমানে চাপ তৈরি করা; #বেকার জীবনে পরিবারকে সর্বাধিক পরিচালনা করতে না পারা, চাকুরি যোগ্য মানুষগুলো চাকরি না পেয়ে তার মধ্যে সারাক্ষণ একটা বিষণ্ণতার সৃষ্টি করে যা ভয়ংকর থেকেও অধিক ভয়ংকর হয়ে দাঁড়ায় অনেক সময় আত্মহত্যার মত পথ বেছে নিতে এড়া বাধ্য হয়ে পড়ে; #সম্পর্কে থাকা মানুষগুলো পছন্দের মানুষের সাথে ঠিকমত জীবনযাপন করতে না পারা, এই ক্ষেত্রেও অনেক সময় দেখা গেছে সম্পর্কে ভাঙ্গন দেখা দিলে অথবা একে অপরের সাথে মনোমালিন্যতার কারণে একটা পর্যায়ে সেখানে ব্রেকআপ তৈরি হয় আর তার শেকড় ধরে মানুষ নিজেকে একাকীত্ব অনুভব করে, কাউকে কিছু বলতে না পেরে সারাক্ষণ মন খারাপ করে থাকে আর এটিও অনেক সময় আত্মহত্যার দিকে মোড় নেয়।

“ডিপ্রেশনে” থাকা মানুষগুলো ভাবে তাদের ভালো থাকার একমাত্র রাস্তা হচ্ছে একা থাকা, কারো সাথে কথা না বলা; এটা নেহাতই ভুল ধারণা বরং, আপনি যখন ডিপ্রেশন অথবা বিষণ্ণতাবোধ করবেন তখন সবার সাথে বেশি বেশি কথা বলুন, আপনার কাছের মানুষগুলোর সাথে সময় কাটান; যার সাথে কথা বললে আপনার ভালো লাগে তার সাথে কথা বলুন, বেশি বেশি বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন, প্রচুর পরিমানে হাঁটুন, ব্যায়াম করুন, সব সময় পজিটিভ চিন্তা করুন, মোটিভেশনাল কথা শুনুন, হাসিখুশি থাকুন; জানেন তো হাঁসি আমাদের অনেক রোগের প্রতিশোধক হিসেবে কাজ করে। আপনার ডিপ্রেশন এর প্রধান কারণ কি সেটা খুঁজে বের করুন সেই অনুযায়ী সামনে এগিয়ে যান এমন মানুষের সাথে কথা বলুন যিনি আপনাকে ভালো পথ দেখাবে আপনাকে মোটিভেট করবে; এমন মানুষের সাথে কথা বলবেন না যিনি আপনার কথা শুনবে তো ঠিকই উলটো তার সমস্যার কথা তুলে ধরবে তাতে হিতে বিপরীত হয়ে যাবে। দরকার হলে আপনি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত ঐসব মানুষগুলো থেকে দূরে থাকুন যারা আপনার সমস্যার কথা শুনে উল্টো তাদের সমস্যার কথা আপনাকে শোনাবে, সে আপনার যত আপনজনই হোক না কেনো।


ডিপ্রেশনে থাকা মানুষগুলো আপনাকে কিছু বলতে চাইলে তাদের কথা শুনুন সে কি বলতে চায় একটু বুঝুন, কারণ ডিপ্রেশন/ বিষণ্ণতা খুব ভয়ানক কে জানে আপনার মাধ্যমে হয়ত তার জীবনটাই বেঁচে যেতে পারে। আর একটা কথা সব সময় মনে রাখবেন সমস্যা, ডিপ্রেশন প্রতিটা মানুষের মধ্যেই রয়েছে তাই নিজের সমস্যাকে কখনো বড় করে দেখবেন না।

আর সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রাখুন তিনি সব কিছু ঠিক করে দিবে। 


Facebook page: https://www.facebook.com/asinspage/

Facebook personal page: https://www.facebook.com/Asin432/

Facebook profile: https://www.facebook.com/Asin.champa/

Youtube: https://www.youtube.com/channel/UCQYjjP7-qs9bNo_q9U8EOpw

লেখাঃ চম্পা আক্তার 

Post a Comment

0 Comments