Ticker

6/recent/ticker-posts

ইগো।EGO

 ইগোর বর্ষবর্তি আমাদের সমাজ। Ego is the curse


https://www.youtube.com/channel/UCQYjjP7-qs9bNo_q9U8EOpw




জীবনে যদি কেউ কিছু করতে চায় তাহলে অবশ্যই সম্ভব যদি সে মন থেকে চায়। সুযোগ কখনো বলে আসে না যে আমি এসেছি আমাকে কাজে লাগাও সুযোগ তৈরি করে সেই সুযোগ অনুযায়ী কাজ করতে হয়। তবে সব থেকে বড় বিষয় হচ্ছে আপনি যেই কাজ করতে উৎসাহিত সেখানে যদি তিল পরিমান আত্মবিশ্বাস এর ঘাটতি থাকে তাহলে সেই কাজে পা না বাড়ানোই শ্রেয়; আমরা অনেকেই মানুষিক সমস্যার সম্মুখীন হই, হতাশা, উদ্বেগ আমাদের মধ্যে কাজ করে কারন আমরা যা চাই তা আমরা পাই না অথবা পাওয়ার ইচ্ছা তো করি কিন্তু সেই অনুযায়ী চলতে পারি না যার ফলে না পাওয়ার হতাশা আমাদেরকে দিনের পর দিন নির্মম পরিস্থিতে নিয়ে গিয়ে দাড় করিয়ে দেয় দেয়।

যে কাজটি আপনি করতে চান সেই কাজে আপনার যদি আত্মবিশ্বাস এর ঘাটতি থাকে, তাহলে সেটা নিয়ে কাজ করেন ,

কি করলে আপনার আত্মবিশ্বাস আসবে? কি করলে আপানার জীবনে নতুন একটা দক্ষতা যোগ হবে?

কোন সেক্টরে গেলে আপনি আপনার সঠিক পথ খুজে পাবেন? প্রতিদিন একটা করে নতুন দক্ষতা অর্জন করুন দেখবেন অনেক আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবেন এবং কাজে স্বস্তি পাবেন।

আমাদের মধ্যে একটা বিষয় কাজ করে যে,

আমি তো সব জানি, আমি এই জানি, সেই জানি আমি পারফেক্ট তাহলে কি দরকার নতুন কিছু শিখে সময় নষ্ট করার;

এটা এক ধরনের ইগো-

যখন আপনি একটা বয়স পার করে কোন কিছু না জেনে, শেখার চেষ্টা না করে শেষমেশ সফলতা না পেয়ে হতাশায় ভুগছেন; ঠিক ওই সময়টাতেই আপনার হাঁটুর বয়সী কেউ একজন নিজের কোম্পানির মালিক, কোন কোম্পানির সিইও, ম্যানেজার অথবা স্মার্ট টাকার বেতনে দিব্যি দিন কাটাচ্ছে; এই যে এত সব কিছু কিভাবে?

কারন, সে দূরদর্শী ছিল, দিনের পর দিন নিজের মধ্যে নতুন নতুন দক্ষতা অর্জন করেছে। সে কখনো এটা নিয়ে ব্যস্ত ছিল না যে, সে কত ঘণ্টা কাজ করছে, মাস গেলে তার থেকে কে কত বেশি সম্মানী নিচ্ছে।

কেউ দিনে - ঘন্টা কাজ করে মাস গেলে মুখে একরাশ হাসি নিয়ে পকেট ভর্তি সম্মানী নিয়ে যান,

আবার অন্যদিকে, সেখানকার কেউ একজন দিনে ১২-১৪ ঘণ্টা কাজ করে মাস গেলে সংসার চালাতে হিমশিম খেয়ে পরেন।

তারপর হাজারো প্রশ্ন আসে যে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করেও সন্তোষজনক সম্মানী পাই না, কিন্তু কেউ একজন ঘণ্টা কয়েক কাজ করে পকেট ভর্তি করে চলে যান।

পার্থক্যটা তাহলে কোথায়?

১। কেউ একজন দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলেছে দিনের পর দিন পরিশ্রম করেছে, নতুন নতুন দক্ষতা অর্জন করেছে।

২। কি করলে কাজ আরো ভালো হবে?

৩। কোথায় গেলে কাজের গতি বাড়বে?

৪। কোন আইডিয়া অনুযায়ী চললে আরো ভালো ফলাফল আসবে?

৫। কিভাবে আমি, আমার টিম ভালো একটা কিছু অর্জন করতে পারবো?

৬। কিভাবে আমার মধ্যে এবং আমার টিমের মধ্যে পজিটিভ ইমপ্যাক্ট পড়বে, হতাশা যাতে তাদের মধ্যে কাজ না করে।

আরো অনেক বিষয় নিয়ে ব্যস্ত

কিন্তু, ঠিক অপর প্রান্তে অপর ব্যক্তি, এই নিয়ে ব্যস্ত যে -

১। কিভাবে আমার থেকে সে এত এগিয়ে?

২। এটা ভুলে যায় যে আমি কি দিচ্ছি, ভবিষ্যতে কি দিবো এতদিন যারা দিয়ে এসেছে তাদের সমানুপাতিক কবে হবো।

৩। আমি তো সব জানি কেনো শুধু শুধু সময় নষ্ট করবো কিছু শিখে?

৪। আমি তো যথেষ্ট সিনিওর-সিটিজেন।

৫। আরো কত কিছু,




এটা ভাবার তাদের সময়ই নেই যে আমিও কিছু করি, যাতে আমি আমার টিম একসাথে প্রোগ্রেস করতে পারি, ভালো কিছু আইডিয়া আমার এবং আমাদের মধ্যে যোগ করতে পারি।

এটা তো করেই না বরং নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট তৈরি করে অন্যের মধ্যে হতাশা তৈরি করে।

আরে ভাই বয়স দিয়েই যদি সব কিছু হত, তাহলে আপনি যেই বয়সে নাম মাত্র সম্মানিতে চাকরির জন্য ছুটছেন ঠিক সেই সময়েই আপনার ছেলের বয়সী/ মেয়ের বয়সী কেউ একজন আপনাকে সেই নামমাত্র সম্মানির চাকরি দেবার জন্য বসে আছে অথবা আপনি সেখানে চাকরি করছেন।

তাহলে কিসের এত ইগো কিসের এতো পলিটিক্স?

এইসব মানুষ থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়; কারন এই কাতারের মানুষগুলো এমনই।



Facebook page: https://www.facebook.com/asinspage/

Facebook personal page: https://www.facebook.com/Asin432/

Facebook profile: https://www.facebook.com/Asin.champa/

Youtube: https://www.youtube.com/channel/UCQYjjP7-qs9bNo_q9U8EOpw

লেখাঃ চম্পা আক্তার

Post a Comment

0 Comments